May 2019


কিং সলোমন এর বশকৃত ৭২ ডেমনের উপর সিরিজের আর পঞ্চম পর্ব। আজকের ডেমন “মারবাস”

5. Marbas

“মারবাস” লিস্টের পঞ্চম ডেমন । মারবাস আরও অনেক নামে পরিচিত যেমন বারবাস, মারবুয়েল, বারবুয়েল, বারবিয়েল ইত্যাদি। তবে সে মারবাস এবং বারবাস এই দুইটা নামে বেশি পরিচিত। বারবাস শব্দটি ল্যাটিন “বারবা” শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ “দাড়ি”।

ডেমন হওয়ার আগে “মারবাস” একজন এঞ্জেল ছিল। সে একজন ফলেন এঞ্জেল। “মারবাস” মারকিউরি সিল যুক্ত অর্থাৎ সে হল প্রেসিডেন্ট। হেল এর পূর্ব অংশের শাসক সে। তার অধীনে ৩৬ লিজিয়ন ডেমন আছে।
ডেমন এর র‍্যাংক এর প্রেসিডেন্ট পদ আর আমাদের প্রচলিত প্রেসিডেন্ট পদ এর মধ্যে তফাৎ আছে। আজকের যুগে প্রেসিডেন্ট মানে মনে করা হয় কোনো জাতীর প্রধান যে কিন্তু এখানে প্রেসিডেন্ট অর্থ ভিন্ন। এখানে ডেমনদের একজন প্রেসিডেন্ট পদের মানে হল সে কোনো সামাজিক, শিক্ষা বিষয়ক কিংবা পলিটিক্যাল গ্রুপ এর লিডার । “মারবাস” এর প্রেসিডেন্ট হওয়ার কারণ সে মেকানিক্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার প্রধান।  

মধ্য এপ্রিল এ “মারবাস” সবথেকে শক্তিশালী হয় । মারবাস কে ডাকার উপযুক্ত সময় হল বুধবার দিনের বেলা। মারবাস কে ডাকতে যেসব উপকরণ লাগে তা হলঃ
মোমবাতি, মারবাস এর কমলা কালার এর সিল, বিভিন্ন রকমের তেল, চিকোরি এর শিকড়, ৪ টা রত্ন, পারদ, টিন ইত্যাদি।
“মারবাস” কে যখন ডাকা হয় তখন সে অনেক বড় ও ভয়ংকর সিংহের রূপে আসে। এটা তার ডেমনিক রূপ। এরপর সামনকারী অনুরোধ করলে সে মানুষের রুপ ধরে। এছাড়া সে যেকোনো রুপ ধরতে পারে। যারা মারবাস কে দেখেছে দাবী করে তাদের কথা অনুযায়ী মারবাস মাঝারী উচ্চতার বাদামী চোঁখ এবং কালো চুল বিশিষ্ট

৭২ ডেমনের অনেক ডেমনই কিছু না কিছু শেয়ায় কিন্তু মারবাস এর ফোকাস শুধুমাত্র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ । সে শুধু এই নিয়েই চর্চা করে। হিউম্যান বডি ম্যাকানিক্স  ও তার পারদর্শীতার একটা ক্ষেত্র। মনে করা হয় যে তার এ বিষয়ে জ্ঞানের কাছে মানুষের বর্তমান বিজ্ঞান কিছুই না। “মারবাস” শুধু এ বিষয়ে জ্ঞানী না সে এ বিষয়ে জ্ঞান দান ও করে।
“মারবাস” এর অন্যান্য ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে সে সব গোপন জিনিস জানে। কোথায় কি লুকানো আছে তার সব খবর সে জানে। হিডেন এবং সিক্রেট বিষয় গুলো সব তার জানা। এমনকি “ফিলোসফারস স্টোন” এর খবর ও মারবাস জানে।
মারবাস একজন শেইপ শিফটার । সে নিজে যেকোনো রূপ ধারন করতে পারে সেই সাথে সামনকারীকেও অন্য রূপ দান করতে পারে। সামনকারীকে সে এই ক্ষমতা দান করেনা। সামনকারী যদি অনুরোধ করে তবেই সে তাকে অন্য রূপ দেয়। তবে আবার আগের রূপে ফিরিয়ে আনা টা মারবাস এর ইচ্ছা সে আনতেও পারে নাও পারে।
মারবাস এর সবথেকে বড় ক্ষমতা হল সে যেকোনো রোগ দান করতে পারে আবার তা থেকে মুক্তি ও দিতে পারে। তাকে ব্যবহার করে কাউকে যেকোনো রোগে ফেলা যায় আবার তা থেকে মুক্তি দেওয়া যায়। এই ক্ষমতার কারণেই মারবাস কে সবথেকে বেশী ডাকা হয়। তবে কাউকে রোগে ফেলানোর জন্য মারবাস কে ডাকা খুব ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এই স্পেল এর উলটা রিয়েকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশী।
এছাড়া তার আরেকটি গুণ হল সে যা বলে সত্যি বলে। সে সত্যবাদি হিসেবে পরিচিত।
১ম ছবি “মারবাস” এর সিল ও অন্যটা তার কাল্পনিক চিত্র।




হ্যালো প্রিয় বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন
আজ আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি অন্য রকম কম্পিউটার অপারেট এর ট্রিক নিয়ে। আজকের পোষ্টে আলোচনা করবো কিভাবে একটি কম্পিউটারে হার্ড ডিস্ক ছাড়া উইন্ডোজ চালানো সম্ভব তা নিয়ে চলুন দেখে নেওয়া যাক।



অনেক সময় দেখা যায় হার্ড ডিস্ক নষ্ট তাই পিসি রেখে দেই জাদুঘরে অথবা স্টোর রুমে। তখন কি আর করা বলে ওটার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেই যতক্ষন না নতুন একটি হার্ড ডিস্ক কিনে আনা হচ্ছে। তবে আমরা চাইলেই সেই পড়ে থাকা কম্পিউটার কে কাজে লাগিয়ে উইন্ডোজ চালাতে পারি হার্ড ডিস্ক ছাড়া।এই ট্রিক টির মাধ্যমে হয়তো আপনি সেরে নিতে পারবেন আপনার প্রয়োজনীয় কাজ গুলো।

                  আপনি হয়তো ভাবছেন উইন্ডোজ টা তাহলে কিভাবে চালু হবে যেহেতু তার Storage এই থাকবেনা। 
(আলাদিনের জীন আইসা জাদু দিয়া উইন্ডোজ চালাইবো নাকি ?)- Just For Fun :)


 আপনাকে স্বাগতম একটু সহজ করে বলছি নিচে থেকে দেখে নিন এই Experiment করতে কি লাগবে:


1. একটি Pen Drive 32 GB .


2. Windows 7,8,10 এর ISO ফাইল।



3. WinToUSB এর Full Version সফটওয়্যার ।



টিউটোরিয়াল শুরু করার আগে সফটওয়্যার সম্পর্কে কিছু জেনে নেওয়া যাকঃ


WinToUsb

এই  সফটওয়্যার টি তৈরী করেছে The EasyUEFI Development Team.
WinToUSB সফটওয়্যার টি প্রথম প্রকাশ করা হয় ২০১৬ সালের জুলাই মাসের ৬ তারিখ।


বর্তমানে এর তিনটি ভার্সন পাওয়া যায়ঃ

১. WinToUSB (Free)
২. WinToUSB Professional - মূল্য ২৯.৯৫ ডলার
৩. WinToUSB Enterprise    - মূল্য ১৯৯.৯৫ ডলার

আমাদের অবশ্যই WinToUSB Enterprise লাগবে কারণ এর ফ্রি ভার্সনে আপনি সকল সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন না।
WinToUSB দিয়ে অনেক ধরনের কাজ করা যায় তবে আমি শুধু Experiment এর জন্য যা প্রয়োজন তাই দেখাব।


তাহলে চলুন ফিরে যাওয়া যাক টিউটোরিয়ালেঃ


ধরুন আপনার একটি কম্পিউটার রয়েছে তার Hard Disk নষ্ট তাই চালাতে পারছেন না তবে আপনার কাছে একটি Pen Drive রয়েছে তবে আপনি কিন্তু চাইলে সেই Pen Drive এ Windows ইন্সটল করতে পারবেন অথবা চাইলে একটি Portable Windows তৈরী করে নিতে পারেন যাতে যে কোন কম্পিউটার থেকে তা চালাতে পারেন।

এর সুবিধা হলো আপনি উইন্ডোজ টি Hard Disk ছাড়াও চালাতে পারবেন অথবা Pen Drive এ বহন করতে পারবেন।

আমি একটি ছোট্ট উদাহরন দিচ্ছি আরো ভালোভাবে বুঝানোর জন্যঃ


"ধরুন আপনার পিসির উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে গেল এবং আপনার কাছে সেই মুহুর্তে উইন্ডোজ দেওয়ার মত সময় নেই অথবা উইন্ডোজ ইন্সটল দেওয়ার সামগ্রী নেই কিন্তু আপনার একটি জরুরী ফাইল না হলেই নয় তখন হয়তো আমার আইডিয়া টি আপনার কাজে লাগতে পারে , তখন আপনি পেন ড্রাইভ থেকে উইন্ডোজ চালু করে Hard Drive থেকে File সংগ্রহ করতে পারবেন।"


"অথবা কারো পিসি পাসওয়ার্ড দেওয়া তখন আপনি চাইলে তার পিসির পাসওয়ার্ড না জেনেই তার Hard Disk এ ঘুরে বেড়াতে পারবেন।"

এছাড়াও অনেক কিছুই হয়তো করা যাবে যা আপনার মস্তিষ্ক কাজে লাগিয়ে খুজে নিবেন।

তাহলে প্রথমে ডাউনলোড করতে হবে সফটওয়্যার টি যা পোষ্টের শেষ প্রান্তে সংযুক্ত রয়েছে ডাউনলোড এবং Extract করে ফেলুন।

 প্রথমে WinToUSB ওপেন করুন।


ISO আইকনে ক্লিক করুন Browse করে আপনার ডাউনলোড করা Windows এর ISO ফাইলটি Select করে দিন।

এখন কথা হলো  Windows ISO ফাইলটি যদি আপনার কাছে থাকে তবে ভালো নয়তো নিচে থেকে  ডাউনলোড করে নিন Stylish  Alien Windows 7 এর ISO.



Download হয়ে গেলে উপরের স্টেপ টি শেষ করুন এবং Next বাটনে ক্লিক করুন।

Please Select The Destination Disk এর ঘরে আপনার Pen Drive টিকে নির্বাচন করুন।
এরপর MBR for BIOS and UEFI নির্বাচন করতে চেক বক্সে ক্লিক করুন এবং সবশেষে Yes বাটনে ক্লিক করুন।

কিছু মুহুর্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে 

এবার VHD নির্বাচন করুন Win7 এর জন্য এবং VHDX দিন Win 8/10 এর জন্য এবং আপনার Pen Drive এর ১০০% Storage নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করুন।

এখন অপেক্ষার পালা । একটা কথা অনেক কে বলতে শুনেছিলাম যে 
"আশায় থাকো কাউয়া পাকলে খাইয়ো ডাঊয়া"
 আমার মনে হয় কথাটি দিয়ে তারা বুঝাতে চেয়েছে অপেক্ষা করো ফলটি পেকে গেলে তার পর খেয়ো।
আমার অবস্থাও ঠিক একই রকম।
তবে কথায় আছে "সবুরে মেওয়া ফলে" তাই অপেক্ষা করতেছি।


অবশেষে ১০০% সম্পূর্ণ হলো এখন Exit বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনি যে কম্পিউটার থেকে উইন্ডোজ চালাতে চান সেই পিসিতে পেন ড্রাইভ সংযুক্ত করে Boot Menu তে চলে যান।


এবার আপনার কম্পিউটার এর ব্রান্ড অনুযায়ী  Boot Menu তে প্রবেশ করে Pen Drive নির্বাচন করুন।



Pen Drive এ Windows ইন্সটল না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । সময় লাগবে মোটামুটি যেমন টি আপনার উইন্ডোজ ইন্সটল দেওয়ার সময় লেগে থাকে আর কি।

সম্পূর্ন শেষ হয়ে গেলে নিচের মত চালু হয়ে যাবে আপনার Portable Windows 7.





এবার আপনি চাইলে হার্ড ডিস্ক নেই এমন পিসিতে চালাতে পারবেন উইন্ডোজ ৭ অথবা ব্যবহার করতে পারবেন Portable Windows হিসাবে অথবা পাসওয়ার্ড ব্যতীত যে কোন পিসিতে প্রবেশের জন্য।

সবশেষে WinToUSB Download Link নিচে দেওয়া হলো।

Download Link

আর এভাবে আপনি চাইলে উইন্ডোজ ৭/৮/১০ যে কোন একটি পোর্টেবল করে চালাতে পারবেন।
তবে আপনার পিসির Ram ২GB এর উপরে হলে ভালো হয়।

যদি কোন সমস্যা থাকে তবে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

তাহলে আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে ।

সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স এবং আমার ব্লগ 

আজকে আবারো চলে এলাম বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া রহস্যময় ঘটনা নিয়ে।

আমি জানি আজকের পোষ্ট টি পড়ার পর আমাকে পাগল ছাড়া আর কিছুই বলবেন না কারন আজকের ঘটনা কোন লজিক দিয়েই হয়তো মিলানো সম্ভব নয়।
তারপর ও যদি পড়েন আমাকে কিন্তু গালাগালি করতে পারবেন না বরং পোষ্ট টিকে লজিক দিয়ে ভেংগে দিতে হবে কারন ২০০৭ কিংবা ২০০৮ থেকেই এই প্রশ্নের উত্তর খুজে খুজে ক্লান্ত হয়ে গেছি আমি এবং অনেকেই।

না আমি আজ গল্প বলবোনা যা বলবো আমাদের সাথে ঘটে যাওয়া একটি রহস্য জনক  সত্য তুলে ধরবো।
আমি এখানে কারো নাম লুকাচ্ছিনা বরং আসল নাম ব্যবহার করছি চলুন পরিচয় করিয়ে দেওয়া যাক আমার পরিবারের সাথে আমি সহ আমরা চার ভাই তখন আব্বাজান বেচে ছিলেন আম্মাজান আল্লাহর রহমতে এখনো বেচে আছে।

আমাদের একটা বোনের কমতি ছিল সে সময়টাতে।
তাই আম্মাজান আব্বাজানকে পরামর্শ দিল একটা মেয়েকে Adopt নেওয়ার কিন্তু চাইলেই কি সব সম্ভব হয় তাই আমাদের বোনের আশা টা অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।

কিন্তু একদিন এক লোকের মারফতে একটি বোন এনে দিলেন যার নাম হলো নাছরীন।
নাছরীন বরিশালের মেয়ে,  তার বাবা জীবিকা নির্বাহের খোজে এসেছে ফেনী জেলার ফুলগাজী থানার এরিয়াতে কাজের খোজে।

নাছরিন রা ভাই বোন বেশি থাকায় তাদের চলতে একটু হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাই নাছরিন এর বাবা কাজের মেয়ে হিসাবে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়।
তবে আম্মাজান তো খুশীতে পাগল কিসের কাজের মেয়ে এটাতো আমার মেয়ে বলে বসলেন।

পড়াশুনার পাশাপাশি আম্মাজানকে কাজে সাহায্য করতো। যাক আমরা একটা বোন পেয়ে গেলাম।
এভাবেই কেটে যাচ্ছে সময় একদিন আচ্ছা একদিন নয় বরং এভাবেই বলি রোজার মাসে একদিন নাছরিন কেমন জানি অদ্ভুত আচরন আরম্ভ করে সময়টা সন্ধ্যার পর হবে।

বাসায় তখন আম্মাজান আমি ছোট ভাইরা আর ফুফু এবং তার ছেলে রাহিম ফুফাতো ভাই।
নাছরিন এর অদ্ভুত আচরন বলতে চিল্লাচিল্লি ভারী গলায় সাথে মাথা দুলানো এবং ঘরে বসে ভয়ংকর অট্টহাসী।

এটা দেখে ফুফু গেলেন এগিয়ে নাছরিনের কাছে এবং বসলো নাছরিনের খাটে তার সাথে।
ফুফু আমার একপিছ নাছরিনের পাশে বসেই ঝাড়া শুরু এই ঝাড়া সেই ঝাড়া নয় এটাকে থ্রেড বলা যায় বাদ দেই সেই কথা।

এর মাঝে রাহিম এসে হাজির বলে নেওয়া ভালো হবে যে রাহিম মাদ্রাসার ছাত্র তাই উনি যাইয়া নাছরিন আপাকে সুরা পড়ে শুনাচ্ছেন আর এই দেখে নাছরিন আপা রেগে মেগে লাল দিলো এক লাথি রাহিম কে।
বলা বাহুল্য যে রাহিম ৪-৬ হাত দূরে গিয়ে পড়লো।
নাছরিন তখন 4 কি 5 এ পড়ে আর রাহিম ওর বড় তাই এই ব্যাপারটা দেখে ঘাবড়ে গেলো সবাই।

ফুফুকে এক ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো সাথে নাছরিন নিজেও লাগালো ভোদৌড় ফ্লাটের বাহিরে।
এর মাঝে আম্মাজান নাছরিন কে ধরতে পিছু নিলো।
দৌড়ে পারবে না বুঝে ডাক দিলো পিছন থেকে এই নাছরিন বলে।

এবার থামলো নাছরিন কড়া চাহনী আম্মাজানের দিকে তবে কে শুনে কার কথা নিজের মেয়ে মনে করে লাগিয়ে দিলো বাম হাতে সজোরে এক চড়।

আর নাছরিন বেহুঁশ। যাই হোক কেটে গেলো সেইদিন।
কিন্তু পাগল যেন লাগাম ছাড়া হয়ে গেছে যা কোনদিন করে নি তাই করা আরম্ভ করলো নাছরিন যেমন ফুলগাছ,  শাক - সবজি ইত্যাদি যত গাছ ছিলো অধিকাংশ ঊঠিয়ে ফেললো শুধু বটগাছে যেতে না দেওয়ায়। 

আরো করলো ভাংচুর খারাপ ব্যবহার সবার সাথে উল্টাপাল্টা চালচলন আর ভংগী তো রয়েছেই।
সব কিছুর একটা সীমা থাকে তাই আব্বাজানকে জানানো হলো উনি হুজুর ডাকলেন।

আসলো কারী সাহেব হুজুর দেখলে পর্যবেক্ষন করে নাসরীন কে তারপর বলে বসলেন এতো আছড়া করেছে কিছুতে।
আব্বাজান বললেন সেজন্যই তো আপনাকে এখানে আনা হয়েছে কি করতে হবে করুন।

হুজুর কিছু সুরা পড়ে পানি ছিটালেন তারপর নাছরিন কে প্রশ্ন করতেই ভারী গলায় হুজুর কে সতর্ক করলো নাছরিন যা ভালো হচ্ছেনা বলেই চেচিয়ে উঠলো।
কিন্তু কে শুনে কার কথা হুজুর নাছরিন এর কনিষ্ঠ আংগুল এর নখের নিচে সুতা দিয়ে পেচাতে থাকলেন আর সুরা পাঠ করে যাচ্ছিলেন আর নাছরিন ভয়ংকর বুনো ডাক ছেড়ে নিজেকে ছাড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছিল তখন।

আমরা যারা ফ্যামিলি মেম্বার ছিলাম তারা সবাই যেন ভুতের মুভি দেখছি বাস্তবে কিন্তু কি আর করা দর্শক হয়েই দেখে গেলাম।

হুজুর নাছরিন কে জিজ্ঞাসা করলো কে তুই? কোথায় তুই থাকোস ?  কেন এসেছ এখানে আরো কতকিছু।
নাছরিনের উত্তর হুবহু তুলে ধরছি বটগাছে তার বাসা ময়লা তার পছন্দ আর নাছরিন কে ভালো লেগেছে ভর দূপুড়ে একা চুল খোলা অবস্থায় গাছের নিচে দিয়ে যাওয়ার সময় তাই তার ইচ্ছা নাছরিন কে তার সাথে নিয়ে যাবে এবং ময়লা আবর্জনা খাওয়ানো শিখাবে।
এটা শুনিয়া আমি হাসিতে হাসিতে বেহুশ যা দেখিয়া ফুফাতো ভাই আমার মুখ চেপে ধরলো।

ময়লা মানে বুঝেছেন কি থাক না বুঝাই ভালো নয়তো খেতে বসলে আর ভক্তি হবে না খেতে।
অন্যদিকে হুজুর চেচাচ্ছে চলে যা বলে আর নাছরিন চেচাচ্ছে যাবোনা বলে। অবশেষে হুজুর বললো নাছরিন কে ছেড়ে দে বিনিময়ে তোকে মিস্টি খাওয়াবো।
না ভুত মশাইয়ের মিষ্টিতে চলবেনা তার অন্যকিছুই চাই। তিনি একটি পশু চাইলো তবে হুজুর প্রতিশ্রুতি দিলো মুরগী দেওয়ার। তবে আমার মনে হয় কি জানেন ভুতটা একটা গরু বা ছাগল চাইতো কিন্তু হুজুর মুরগি শান্তনা পুরস্কার হিসাবে নির্বাচন করে দিলো।
যাই হোক বোকা ভুতে মেনে নিলো এবং চলে যাওয়ার সময় প্রমান দিতে আমাদের একটি গাছের মোটা এবং লম্বা একটি ডাল ভেংগে ফেললো।

হুজুর চলে গেল পাওনা নিয়ে সবাই তো খুশী যে যার মতো খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমাতে গেলো।
আমি মাঝ রাতে টয়লেট এ যাওয়ার জন্য ঊঠলাম এবং অতিরিক্ত পানির পিপাসা অনুভব করলাম।
তাই লাইট জালিয়ে জগ থেকে গ্লাসে পানি ঢালছিলাম কিন্তু পানি আর খাওয়া হলোনা নাছরিন আমার দিকে চেয়ে ভয়ংকর ভাবে হাসতে থাকলো....
প্রথম পর্ব এখানেই শেষ করছি আগামী পর্বে থাকবে "নাছরিন যখন নাগীন"

মোট ১০ টি পর্ব হতে পারে তাই একসাথে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ভালো লাগলে জানাবেন আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ  Cyber Prince

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি ২১৫ টি হ্যাকিং Tools নিয়ে।




Tool-X মুলত Kali Linux এর হ্যাকিং টুলস গুলো Install করতে সাহায্য করবে। Tool-X এর নির্মাতা হচ্ছে Rajkumar Dusad. Tool-X এমন ভাবে নির্মান করা হয়েছে যাতে Root অথবা Unroot মোবাইল থেকে চালানো যায়। Tool-X এর Script আপনি Termux কিংবা  GNURoot Debian terminal থেকে চালাতে পারবেন। আপনি শুধু কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করেই Install করে ফেলতে পারবেন হ্যাকিং এর টুলস গুলো। আপনি কি জানেন Ubuntu এর জন্য বর্তমানে Tool-X যুক্ত করা হয়েছে। আর সবথেকে বড় কথা Tool-X আমার মত অলসের জন্যই হয়তো নির্মান করা হয়েছে।


পোষ্ট শুরুর আগে একটা কথা জানিয়ে রাখা ভালো হবে তা হলো আপনি যদি Termux এর ব্যাপারে কিছুই না জেনে থাকেন তবে আমার লিখা আগের পোষ্ট গুলো পড়ে আসার অনুরোধ রইলো।




উপরের পোষ্ট গুলো পড়া হয়ে গেলে চলুন Tool-X এর প্রসংগে ফিরে যাই।

যেভাবে আপনি কার্যক্রম টি করবেনঃ

প্রথম Command দিতে নিচের লাইন দেখুন।

pkg install git


git clone https://github.com/Rajkumrdusad/Tool-X.git



cd Tool-X 
chmod +x install.aex 
./install.aex or sh install.aex



উপরের সব কাজ শেষ হয়ে গেলে নিচের ভিডিও দেখুন কিভাবে 215 Tools Install Command দিবেন।


তাহলে উপভোগ করুন Kali Linux এর জনপ্রিয় হ্যাকিং  Tool-X সাথে তো ২১৫ কার্যকরী Tools থাকছেই।

তাহলে আজকের পর্ব এখানেই শেষ করছি আগামীতে দেখা হবে এর থেকেও আপডেট টুলস নিয়ে।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ Cyber Prince
না আমি আপনাদের মত হয়ত পারবোনা তাই বারং বার লিখতে বসেও বুঝে উঠতে পারছিনা কি নিয়ে লিখবো?

একটাই কথা মাথায় ঘুরছে আসলে টপিক কোনটা বেছে নিবো কিন্তু কথায় আছে যেখানে ভুতের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়।

তাই সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম একটি সত্যিকারের ভুতূড়ে ঘটনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো বলে তাই যদি কোন ভুল হয়ে যায় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন দয়া করে।

তো চলুন শুরু করা যাকঃ

ঘটনা টি ঘটেছিলো বরিশাল গৌরনদী থানার চানশী নামক একটি গ্রামে। 

ভাবছেন এর সাথে আমার যোগসূত্র কি?

বলে নেওয়া ভালো হবে সেখানে আমার নানা বাড়ী অবস্থিত আর যখন ঘটনা টা ঘটেছিল তখন মোটামুটি আমি ছোট বললেই চলে।

যখনকার কথা তখন ইলেক্ট্রিসিটি নতুন এসেছে গ্রামে মনে হয় এটা ১৯৯৮ সালের ঘটনা হবে আর বেশী গেলে এক দুবছর এদিক ওদিক হতেও পারে যাই হোক সালটা এখানে বড় করে দেখার থেকে বরং ভুতূড়ে ঘটনার দিকে নজর দেই।

ঈদের ছুটিতে বরিশাল বেড়াতে যাওয়া যদিও গ্রাম টি এত আধুনিক ছিলনা বরং ভয়ংকর লাগতো আমার কাছে।

ভয়ংকর লাগার ও কিছু কারণ রয়েছে যেমন সন্ধ্যার পর পর গ্রামের লোকজনকে রাস্তায় না বরং বিছানায় আবিস্কার করা যেত তার ফলে সন্ধ্যা হলেই হয়ে যেত পুরো পরিবেশ নিরিবিলি। আর তার সাথে রয়েছে বাশের ঝাড় আর কবরস্থান তাও আবার বাড়ী ঘেষে।
তাছাড়াও বেশীর ভাগ জায়গা ঘন জংগলে দখল করে নিয়েছে।

খালের পানি বয়ে যাওয়া,  বাশের পাতা  ঘষা খাওয়া আর বাশে বাশে বাড়ি খাওয়া সাথে জোনাকি ঝি ঝি শব্দে মনে হতো এখানে কোন ভুতূড়ে ছবির শুটিং চলছে,  আর সেট তা তো সাজানোই।

শুধু ঝড়ো বাতাসের কমতি ছিল সেই দিন তাও এসে উপস্থিত হয়ে গেল, সাথে বৃষ্টি আশার অগ্রীম লক্ষন জানান দিচ্ছিলো যে আজ একটা ঝড় তুফান হবে।

তাই দেখে আমার মামী মাছ গুলোকে কেটে ফেলল তাড়াতাড়ি করে যাতে বৃষ্টি আসার আগেই পুকুর থেকে ধুয়ে আনতে পারে।

মামীও পুকুর পাড়ে গিয়ে পৌছল ঠিক সেই মুহূর্তে চলে গেল ইলেক্ট্রিসিটি তাই ঘরের সবাই আলো জ্বালানো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।

তাছাড়াও অনেকদিন পর সবাই একসাথে তাই চলছিল গল্পের আড্ডা। এর মাঝে এসে যোগ দিলো বড় আকারের ঝড় তাই বড়রা ছোটদের শান্তনা দিতে ব্যস্ত।

কেউ জানালা লাগানো নিয়ে ব্যস্ত কেউবা রান্নাঘরে।
বলে নেওয়া ভালো হবে রান্নাঘর যদিও পাশাপাশি ছিল কিন্তু পুকুর এবং Toilet খানিকটা বললে ভুল হবে বেশ দূরেই ছিল। Toilet এর বর্ননা এভাবে দেওয়া যেতে পারে ঘরের থেকে ৫-৮ মিনিট হেটে গেলে পড়বে বিশাল বাশ ঝাড় তার মাঝেই বানানো হয়েছে কাম সারার জায়গা।
আর ঠিক তার উল্টোদিকে রয়েছে বড় একটি খাদি আর অন্যপাশে পুকুর।

তো সবাই যখন আড্ডায় ব্যস্ত ঠিক তখন একটা গোংগানীর শব্দ ভেসে আসে। আর তখন সবার মনে পড়ে যে মামী তো অনেক আগে পুকুরে গেল ঝড় আরম্ভ হলো কিন্তু তাকে তো আসতে দেখা গেলনা।

তাই মামা খুজতে বের হলো মামীকে হাতে একটি টর্চ জ্বালিয়ে। পুকুর পাড়ে ভিজতে ভিজতে গিয়ে পৌছালো। কিন্তু একি মাছ ও নেই সাথে মামীর ও কোন সাড়াশব্দ নেই তাই মামা একটু ভড়কে গেল এই ভেবে যে "ও তো বাসায় নেই পুকুরেও নেই তাহলে গেলো কোথায়?  ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে প্রায় রাত ১০ টার কাটা ছুই ছুই করছে।

মামা আবার একটি শব্দ শুনতে পেলো কিন্তু অস্পষ্টভাবে তাই কানখাড়া করে শোনার চেষ্টা চালালো একবার।
ঠিক পরমুহূর্তে দূর থেকেই ভেসে এলো মর্মাহত কারো চিৎকার। অন্যদিকে মামার আসতে দেরী হচ্ছে বলে মানিক মামাও ঘর থেকে বেড়িয়ে গেল বড় মামার দেরী হচ্ছে কেন আসতে তা জানতে।

বড় মামাই ডাক দিয়ে বসলেন এই তোরা কই এদিকে আয় তোর ভাবীকে খুজে পাচ্ছিনা।

দুই মামা টর্চ জ্বেলে খুজতে লাগলো বাশের ঝাড়ে,  টয়লেট,  এবং কবরস্থানের আশে পাশে আর তার সাথে চলছে মামীর নাম ধরে উচ্চস্বর এ ডাকাডাকি।

ঠিম সেই সময়ে মনে হলো খাদির ভিতর কোন কিছু আছাড় মারা হচ্ছে সাথে গোংগানীর শব্দ, দুই মামা শব্দ যেখান থেকে আসছে সেদিকে দৌড় দিল।

গিয়ে দেখে খাদিতে কি যেন লড়ছে তারা লাইট এর সাহায্য নিয়ে স্পষ্ট দেখার চেষ্টা চালালো।
কেউ যেন মামীকে একবার শুন্যে উঠাচ্ছে আবার কিছুক্ষন পর কাদায় জোরে আছাড় মারছে।

মামার আর কিছু বুঝতে বাকী রইলোনা সে বুঝে গিয়েছে যে তার লাইফ পার্টনার এর সাথে ঘটে চলছে প্যারানরমাল কিছু।

দুই মামা খাদিতে গিয়ে পৌছাল এবং মামীকে আধা শরীর উলটো করে কাদায় গাড়া অবস্থায় পেল।

অনেক টানাটুনি করে মামীর শরীর তারা কাদা হতে উঠাতে পারলো কিন্তু ততক্ষনে অনেক দেরী হয়ে গেছে।

মামীর গলাতে কাদা ঢুকে গিয়ে দম বন্ধ হয়ে রয়েছে তাই তড়িঘড়ি করে তার গলা পরিস্কার করার চেষ্টা চালালো।

মামা যেন কেদেই ফেলবে তার প্রিয় মানুষ কে নিজের সামনে এভাবে মরে যেতে দেখে।

অনেকটা সময় হয়তো মামীর সাথে সেই খারাপ অদৃশ্য কিছুর যুদ্ধ হয়েছে কিন্তু এক সময় মামী ক্লান্ত হয়ে পড়লে তাকে খাদির কাদায় চুবানো হয় সাথে আছাড় তো রয়েছেই। মামীর চোখ গুলো বড় বড় ছিলো যা দেখলেই বুঝা যাবে যে ভয়ংকর কিছুই দেখেছে সে।

কিন্তু আল্লাহ সর্ব শক্তিমান তিনিই মনে হয় এ যাত্রায় মামীকে বাচিয়ে দিলো।  জি উনি এখনো বেচে আছেন।

কথায় আছে না রাখে আল্লাহ মারে কে।

যখন মামীর হুশ ফিরলো তাকে কি হয়েছিল রাতে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন তিনি বললেন।

আমি যখন মাছ ধুতে যাচ্ছিলাম পরপর দুবার কাদায় পিছলে পড়ে যাই তারপর ও মাছ গুলো নিয়ে পুকুরে পৌছানোর কিছুক্ষন পর নাকি বড় মামা এসে বলে সে নাকি টয়লেট এ যাবে তার সাথে একটু যেতে মামীকে।
মামী বুঝে উঠতে পারে নি যে এটা মামা ছিলনা বরং অন্য কিছুই ছিলো।

মামীও ভুত মামার সাথে টয়লেট এর পাশে খাদি পর্যন্ত যাওয়ার পরে কেন জানি সন্দেহ হয় যে মামা কোন সময় তো তাকে টয়লেট এর পাশে দাড়াতে যাওয়ার জন্য বলে নাই তাছাড়া মামার চোখ গুলো নাকি লাল ছিলো এবং কড়া চোখের দৃষ্টি তাই মামী সন্দেহমূলক  ভাবে মামার পায়ের দিকে তাকায় আর তার জানটা যেন ঊড়ে বের হয়ে যেতে চাইলো উলটো পা দেখে।

দৌড় দিবে এরকম চিন্তা ভাবনা মামীর মাথায় ঘোরপাক খাচ্ছিলো কিন্তু দেরী হয়ে গেল মামীকে কাদায় আছাড় মেরে ফেলে দেয় চলে মারামারি সাথে মামীকে কাদায় গেড়ে ফেলার প্রচেষ্টা।

আর তারপর অজ্ঞান হয়ে পড়ে এবং মামা তাকে উদ্ধার করে আনে বাড়িতে।

জানি না সত্য ঘটনা টি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে কিনা ভয়ের আমেজ দিতে পেরেছে কিনা যদি একটুও ভালো লেগে থাকে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু?

তাহলে সবাই ভালো থাকবেন।

আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ ইসমাইল হোসেন সৌরভ

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন।আজ হাজির হয়েছি Android এর জনপ্রিয় Tools Lazymux  Android Unroot মোবাইলে চালানোর ট্রিক নিয়ে।




আমরা কম বেশী সবাই চাই নিজেদের হাতের শখের Android দিয়ে শক্তিশালী সব কাজগুলো করে ফেলতে। এর জন্য অবশ্যই আমাদের দরকার পড়ে জটিল সব টুলস অথবা Script এর। তাই এর জন্য গতকাল একটি টিউটোরিয়াল শেয়ার করেছিলাম যা আপনি চাইলে নিচের লিংক হতে দেখে আসতে পারেন।টিউটোরিয়াল টি না দেখলে সামনে আগানো সম্ভব নাও হতে পারে আপনার জন্য।


আপনার Android কে বানিয়ে ফেলুন একটি হ্যাকিং ডিভাইস খুব সহজে পর্ব - ১
তো চলুন শুরু করা যাক আজকের টিউটোরিয়ালঃ
প্রথমে আপনি আপনার মোবাইল থেকে Termux Emulator এ প্রবেশ করুন।



 চালু হয়ে গেলে নিচের Command দিন যদি এর আগে আপনি Install না করে থাকেন তবে।

pkg install git


 Command টি দিলে ফাইল install হবে তার জন্য MB প্রয়োজন পড়বে Y লিখে Command দিন ডাউনলোড এবং Install হয়ে যাবে।

 এবার দরকার হবে Lazymux Script যা আপনি নিচের Command দিয়ে Clone করে পারবেন Github থেকে।

git clone https://github.com/Gameye98/Lazymux.git
Y দিয়ে Command করুন যদি অনুমতি চেয়ে বসে তবে।
অপেক্ষা করুন পুরো প্রসেস শেষ না হওয়া পর্যন্ত।
 এবার Command দিতে হবে নিচের লাইন টি।

cd Lazymux


এবার দিন Lazymux এর জন্য সর্বশেষ Command নিচের লাইন থেকে।

python2 lazymux.py
 এবার আপনি উপরের মত দেখতে পাবেন মানে এবার আপনার যে কাজের জন্য দরকার সে কাজে ব্যবহার করুন।
information Gathering 
Vulnerability Scanner
Stress Testing
Passwords Attacks

Web Hacking

Exploitation Tools

Sniffing & Spoofing

other
এছাড়াও রয়েছে 
SpiderBot
Ngrok
Sudo
Ubuntu
Fedora
Kali Nethunter
VCRT
E-Code
Termux Styling
PassGen
xl-py
Bean Shell
WebConn
Crunch
Textr
Auto Visitor
Rshell
Termpyter

উপরে উল্লেখিত সকল Tools এখন আপনার হাতের মুঠোয় যা প্রয়োজন সেই অনুযায়ী Command দিয়ে নিজের কার্য সম্পাদন করে নিন।


মনে রাখবেন প্রতিটি Tools এর জন্য আপনাকে খসাতে হবে MB.

তাহলে Lazymux এর মজা নিন।
আর আমি আগামীতে এর থেকেও জটিল কিছু নিয়ে হাজির হবো হ্যাকিং এর জন্য।
আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন 
নতুন কিছু নিয়ে।
সৌজন্যেঃ Cyber Prince