যদি কোন ব্যক্তি পানিতে ডুবে মারা যায় তবে এই মৃত্যুটি একটু যন্ত্রণাদায়ক হবে।তবে সেই ব্যক্তি কত তারাতারি মারা যাবে সেটির উপর নির্ভর করে এর মাত্রা।এখন ব্যক্তিটি কত তারাতারি মারা যাবে সেটি নির্ভর করে সে কত তারাতারি ডুববে।আর এই ব্যাপারটি কতগুলো ফ্যাক্টর এর উপর নির্ভরশীল।তা হল সাতার জানা,পানির তাপমাত্রা ও পানির গভিরতা।পানি যদি ঠাণ্ডা ও অগভীর হয় তাহলে অধিকাংশ ডুবে যাওয়া,পানির ৩ মিটারের মধ্যেই সংগঠিত হয়ে থাকে।আসলে অধিকাংশ ডুবে যাবার ঘটনা ঘটে সাতার না জানা লোকদের মধ্যে।এবং এ পরিস্থিতিতে তারা কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যেই মৃত্যুর জটিলতার সম্মুখীন হন।আর এই পরিস্থিতিতে তারা যখন বুঝতে পারে যে তারা বিপদে পড়ে গেছে , তারা তখন অনেক ভয় পেয়ে যায় এবং ভেষে থাকার আপ্রান চেষ্টা করে।তারা উপরিভাগ থেকে ঘন ঘন শ্বাস টানতে থাকে এবং দ্রুত উঠানামার চেস্টায় ব্যাস্ত থাকার ফলে এক সময় দম বন্ধ হয়ে আসে।আর গবেষণায় দেখা গেছে এই পর্যায়ের স্থায়িত্ব মোটামুটি ২০-৬০ সেকেন্ড।

অবশেষে যখন ঐ বাক্তি একেবারে ডুবে যায় তখন সে যতক্ষণ সম্বব শ্বাস ধরে রাখার চেষ্টা করে।সাধারনত ৩০-৯০ সেকেন্ড পর্যন্ত এটি করতে পারা যায়।এসময়টা আসলে অনেক যন্ত্রণাদায়ক।অবশেষে সে শ্বাসের সাথে পানি,কফ ও বিভিন্ন ময়লা টেনে ফুসফুসে নিয়ে যায়।  ফুসফুসে টেনে নেওয়া পানি তখন সূক্ষ্ম কলায়(টিস্যু) গিয়ে গ্যাস প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।পানি টেনে নেবার ফলে বাতাস চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।যার কারনে স্নায়ুর উপর প্রচুর চাপ পড়ে ও অনিচ্ছাকৃত হাচি,কাপুনির সৃষ্টি হয়।বায়ু চলাচলের পথে পানি প্রবেশ করার ফলে বুক ছিন্ন করা ও প্রচুর জ্বালাকর অনুভূতির সৃষ্টি হয়।আর এই  জ্বালাকর অনুভূতির পড়ে এক শান্ত ও নিরব অনুভূতির সৃষ্টি হয়।এই অনুভূতিই হল অক্সিজেন এর অভাবে অবচেতনে চলে যাবার শুরু।এবং এর পরে হৃদস্পন্দন থেমে যায় ও মানুষ মারা যায়।

সৌজন্যেঃ উম্মে সারা
Share To:

Advices

Post A Comment:

0 comments so far,add yours