শুধু মানব শরীরের না সকল জীবের। 

প্রকৃতি জটিলতা পছন্দ করে না, সে সবচেয়ে সহজ এবং সুন্দর উপায়ে সবকিছু গড়ে তুলেছে। 

জীবিত প্রানীর মূল ব্যাপারটিও সেরকম আশ্চর্য রকম সহজ ও সরল। প্রানী কিভাবে জন্ম হবে এবং বিকশিত হবে তার একটা নীল নকশা থাকে। 

অবাক করার মত তথ্য হচ্ছে ক্ষুদ্র একটা জীবানু থেকে শুরু করে মানুষের মত জটিল একটা প্রানী সবার ভিতরেই এই নীল নকশা একই প্রক্রিয়ায় লুকিয়ে রাখা আছে। 

এই নীল নকশা মানে কিছু তথ্য, কিছু নির্দেশ। কম্পিউটারের কথাই ধরা যাক এর সকল প্রক্রিয়া আপাত দৃষ্টিতে জটিল মনে হলেও এটি তথ্য সংরক্ষনে খুবই সরল একটা পদ্ধতি ব্যাবহার করে যার নাম বাইনারি পদ্ধতি এবং সেটার জন্য 1 ও 0 এই দুটি অংক ব্যাবহার করা হয়।

 জীবিত প্রানীর নীল নকশার তথ্য সংরক্ষনেও এমন একটি পদ্ধতি কাজ করে যেখানে "ডি.এন.এ." এর ডাবল হেলিক্সে সেই তথ্য রাখা হয় মাত্র চার ধরনের বেস পিয়ার দিয়ে। সংক্ষেপে তাদের নাম হচ্ছে A,C,G এবং T।

  ডি.এন.এ-তে  A এর বিপরীতে থাকে T এবং C এর বিপরীতে থাকে G। কেউ যদি আক্ষরিক অর্থে সেটি দেখতে চায় তাহলে সে দেখবে ATCGCCTGATTCCGT এই রকম মাইলের পর মাইল চার অক্ষরের সাড়ি।

 মানুষের পক্ষ্যে খালি চোখে  DNA. এর স্ট্রাকচার দেখা সম্ভব না। তবে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ এ দেখা দেখা সম্ভব তাও বিভিন্ন রকম ডাই দিয়ে স্টেনিং,  মানে রঙ দিয়ে রঙ করে৷ 
  
 এটি হচ্ছে মানব দেহের নীল নকশা,  এর মাঝে লুকিয়ে আছে মানব দেহের সকল রহস্য। একে ডাটা ব্যাংক বলা হয়।


১. মানুষের শুধুমাত্র একটি ডি.এন.এ- তে যে পরিমান তথ্য রয়েছে তা যদি কাগজে লেখা হত তবে তা পূর্ন করত ১ মিলিয়ন পৃষ্ঠা,  যা হতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় Encyclopedia'র চেয়ে ৪০ গুন বড়, যেখানে জমা থাকত ৫ বিলিয়নের চাইতে বেশি সংখ্যক তথ্য।।।

২.D.N.A নেগেটিভ চার্জ যুক্ত তাই এটি positive এলেক্ট্রোড এর দিকে মুভ করে । 

৩.D.N.A কে কি কেটে কেটে ছোট করা যায়??
হ্যা অবশ্যই তবে সেটা বিভিন্ন রকম রেস্টিকসন এনজাইম দিয়ে। 

৪.D.N.A  এর ডাবল হেলিক্স যে বন্ড কল্পনা করা হয় তা কিন্তু ভাঙাও যায়। 95°c তাপমাত্রায় P.C.R মেশিনে এটি আবার জোড়া লাগে 75°c তাপমাত্রায়৷ 

৫.D.N.A কে সনাক্ত করার জন্য যে কোনো কিছুতে  D.N.A আছে কি না বা থাকলেও এটি কত বড় একে পরিমাণ এর জন্য  D.N.A কে বিদুৎ এর মধ্যে দিয়ে চালোনা করা হয় কিছু জেল এর মাধ্যমে এবং কিছু জেল মিশিয়ে যা কি না  U.V. ray তে দৃশ্যমান। 

#AbhiIDT
সৌজন্যেঃ Conan Alex