Hyperloop! নাম টা অদ্ভুত তাই না। আজ আমরা জেনে নেই হাইপার লুপ কি,  কিভাবে কাজ করে এসব। 

হাইপারলুপ মূলত একটি পাত্রকে খুব দ্রুত একটি টিউব এর মধ্যে দিয়ে চালোনা করা। এটি হবে ভবিষ্যৎ এর দুনিয়ার সব চেয়ে সাশ্রয়ী,  দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ 

কত টা দ্রুত: এটির লেটেস্ট পট, যেটি ২০১৮ সালের জুনে টেস্ট ড্রাইভ করে সেটি ঘন্টায় 1223.1 কি: মি: বা ৭৬০ মাইল যেতে পারে। যার মানে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম যেতে সময় লাগবে 7.848908511 বা ৮ মিনিট । 


হাইপার লুপ কন্সেপ্ট আসে কিভাবে! :
হাইপার লুপ কনসেপ্ট আসে হাইস্পিড ট্রেন থেকে। আর ২০১২ সালে "এলেন মাস্ক " পরিচয় করিয়ে দেন
এই কনসেপ্ট এর সাথে৷ "এলেন মাস্ক" হচ্ছেন স্পেস এক্স& টেসলার  প্রতিষ্ঠাতা।  তিনি এটি ওপেনসোর্স করে দেন সবার জন্য,  যাতে সবাই এটি নিয়ে কাজ করতে পারে,  এর জন্য স্পেস এক্স এর কোনো অনুমোদন এর দরকার হবে না।

হাইপারলুপ কাজ করে কিভাবে :
এর কনসেপ্ট আসে মূলত হাইস্পিড ট্রেন এর থেকে। 



এটার বেসিক উপাদান হচ্ছে টিউব আর তার মধ্যে চলবে একটি পট। 

২০১২ সালে এলেন মাস্ক এর কনসেপ্ট অনুসারে  হাইপার লুপ এর পটের সামনের অংশে একটি টার্বাইন লাগানো থাকবে,  যা সামনে থেকে বাতাস টেনে নিয়ে হাইপারলুপ পটের নিচে বাতাসের একটা কুশন তৈরি করবে যা এই পট কে সামনে এগিয়ে নেবে,  এতে চাকার ঘর্ষণ আর বাতাসের ঘর্ষণ দুটিই রোধ হয়েছে,  যার ফলে এর স্পিড হয় অত্যন্ত বেশি। 

এটার নতুন মডেল ভার্জিন হাইপার লুপ - 1 এর ক্ষেত্রে অন্য একটি বিষয় কাজে লাগে,  এটিকে হাওয়াতে উঁচিয়ে তোলে ম্যাগনেটিক ফোর্স আর,  এই পটের সামনের টিউবের বাতাস টিউব থেকে বের করে দেয়া হয় ফলে ভ্যাকুয়াম এর সৃষ্টি হয় যার ফলে এগিয়ে চলে এই পট আর এর নিচের দিকে থাকে লিনিয়ার মোটর যা একে এতো দ্রতগামী করে তোলে৷ 


এখানে মূলত কম চাপের মধ্যে যেমন ঘর্ষণ কম হয় এ বিষয় টিকেই কাজে লাগানো হচ্ছে একটি টিউব এর মাঝে৷ 

Required Energy :
এতো হাইস্পিড হলেও এতে কিন্ত শক্তি খুব কম প্রয়োজন হয়, যেহেতু ঘর্ষণ বল নেই বললেই চলে,  আর ঐ পট টি হয় এরোডাইনামিক ডিজাইন এর৷ এজন্য শক্তি খুব কম দরকার হয় এর। 

এটি সোলার এনার্জি ও উইন্ড এনার্জি দিয়েই চালোনা করা সম্ভব হবে৷ 

সীমাবদ্ধতা: যদিও এটি দিয়ে কম খরচে যাতায়াত সম্ভব সবচেয়ে দ্রুত গতিতে কিন্তু একটা সমস্যা হল যে এটির ইনিশিয়াল কস্ট বেশি যদিও অপারেটিং কস্ট কম। 

আর পৃথিবী যেহেতু ভূমিকম্প হয় তাই এটি যদি একবার ভূমিকম্প দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে কি হতে পারে?

একে দ্রুত গতি তার উপর একটা টিউব এর ভেতর। 

আর একটা কথা যেহেতু এটি অনেক মানুষকে একসাথে বহন করবে তাই এটি সহজেই টেররিস্ট দের টার্গেট এ পরিনত হবে! 

তবুও এটি একটি সম্ভাবনা ময় সেক্টর,  পৃথিবীর প্রায় ১০ টি কোম্পানি এটি নিয়ে কাজ করছে,  including space-X। 

যুক্তরাষ্ট্র,  যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স,  ইন্ডিয়া,    সংযুক্ত আরব-আমিরাতে এর প্রোজেক্ট গুলো তে কাজ চলছে! 

আর Virgin Hyperloop -1 ২০২১ সালে নিজেদের প্রথম প্রোটোটাইপ চালোনা করবে। 

#AbhiIDT

সৌজন্যেঃ Conan Alex
Share To:

Advices

Post A Comment:

0 comments so far,add yours