আজ আমরা জানব  মানুষের স্মৃতি বা memory আদতে কি!!  মানে বিষয়টা কি এমন যে কোনো বস্তুত  বিষয় যেখানে কোথাও কোনো কিছুতে সেইভ হচ্ছে ম্যামোরী বা স্মৃতি। 

না বিষয়টা এমন না। তবে কি!!

স্মৃতি বা ম্যামরী আসলে হচ্ছে আমাদের কোনো কাজ করার সময় আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে নেয়া অভিজ্ঞতা,  যা আমাদের মাথায় বা ব্রেন এ চলে যায়।

আমাদের ব্রেইন  অসংখ্য  নিউরন এর সমন্বয় এ গঠিত,  অসংখ্য মানে বিলিয়ন বিলিয়ন!  

নিউরন একে অপরের সাথে জালের মত জরিয়ে অনেক টা আমাদের ব্যবহার করা মশারির মত।

এগুলো দিয়ে ডেটা চালিত হয়। আর এই ডেটা কিন্তু কোনো বাইনারী কিংবা অক্টাল বা ডেসিমাল না এটা ক্যামিক্যাল ডেটা। এটা হয় মলিকিউলার লেভেল এ।

এখন ধরুন আপনি বাইক চালাচ্ছেন এখন আপনার চোখ যেটা দেখছে, কান  যা শুনছে, বা হাত দিয়ে যা স্পর্শ করেন, সেটার সিগনাল চলে যায়  ব্রেইন এর আলাদা আলাদা অংশে।

মানে দেখার জন্য আলাদা অংশ,  শোনার জন্য আলাদা অংশ Etc ETc.

ঐসব অংশে গিয়ে বিভিন্ন নিউরন দিয়ে এসব ডেটা চালিত হয়।  বিভিন্ন প্যাটার্ন এ চালিত হয় ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার জন্য।

এর মানে এমন আপনি যদি কোন গাড়ি দেখেন বাইক চালানোর সময়  তখন এই গাড়ি দেখার ডেটা চলে যায় ব্রেন এ। 

 এটা বার বার ঘটতেই থাকে। এখন গাড়ী দেখে আপনি আগে কি করেছিলেন তা আপনার মস্তিষ্কএর hippocampus এ সেইভড থাকে,  সেই অনু্যায়ী সেই অনুযায়ী ক্যামিকেল রিলিজ করে ব্রেইন সেই সব নির্দিষ্ট নিউরন দিয়ে একই প্যাটার্ন এ। যা চলে যায় নার্ভাস সিস্টেম এ। তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হই আমরা।

এখন hippocampus কিভাবে এসব তথ্য সংরক্ষন করে!

আমাদের স্মৃতি সাধারণত ২ প্রকার
১-Short term memory
২-long term memory 

আমরা যখন হাটি তখন আমরা রাস্তায় পানি দেখলে সেটা এভোয়েড করে চলি,  কিন্তু রাস্তায় কত জায়গায় পানি আছে সেটা কিন্তু আমরা মনে রাখি না।  এটা হচ্ছে short term memory.এখানে hippocampus,  এর কাজ নেই।

কিন্তু এই যে পানিকে আমাদের এভোয়েড করেই চলতে হয় এটা হচ্ছে Long term memory এর ফল।

এখানেই hippocampus এর কাজ।  ছোট বেলায় যখন আমরা রাস্তায় হাটতাম বাবা মা এর হাত ধরে তখন তারা আমাদের পানি এভোয়েড করে চলতে বলতেন বা চলাতেন।  এটা একটি অভিজ্ঞাতা যা বার বার বার বার হয়ে এসছে,  যার জন্য ঐই নির্দিষ্ট সংখ্যক নিউরন দিয়েই ডেটা পাস হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন এ।  এই ডেটা কিন্তু ক্যামিকেল এর।  আর ঘটে মলিকিউলার লেভেল এ।

তো এই ক্যামিকেল এর যাত্রা পথ বার বার একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য একই হবার কারণে  hippocampus এটাকে এনকোড করে রাখে।  মানে এই ক্যামিকাল রিলিজ কে।

এভাবেই মূলত কাজ করে আমাদের স্মৃতি শক্তি।

মানে আগে যা শর্ট টার্ম ছিল তা বার বার করার ফলে লং টার্ম এ রূপান্তর হচ্ছে। 

শর্ট টার্ম ম্যামরি না থাকলে আমরা কোনো কাজ করতে পারতাম না।এমন কি আমাদের লংটার্ম ম্যামরী ও তৈরী হত না।

 Bonus point :আপনি পড়ার সময় যদি নির্দিষ্ট কিছু খান,  যেমন আচার,  বা চুইনগাম, অথবা কোনো নির্দিষ্ট পারফিউম ব্যবহার করেন তবে পড়া তাড়াতাড়ি মুখস্ত হবে।

আমার নিজের ponds  লোশন এর স্মেল এ পড়া তাড়াতাড়ি মুখস্ত হয়।  আমার বন্ধুর টক কিছু খেলে তাড়াতাড়ি মুখস্ত হয়!

কারণ??  কারণ!!  অই যে hippocampus এ আমাদের এই খাওয়া বা স্মেল নেবার পর কি হয় তা এনকোড করা থাকে। 

বি:দ্র: হিউম্যান ব্রেইন এর স্মৃতি সংরক্ষণ এর বিষয় টা সত্ত্যি অনেক জটিল।  ৩ দিন ধরে ভেবেও এর চেয়ে সহজ করে লিখতে পারি নি।  আরো সহজ করে লিখতে পারলে ভালো হত😞😔😔😔!

তবুও কিছু না বুঝলে জানাবেন।

সৌজন্যেঃ Conan Alex 
Share To:

Advices

Post A Comment:

0 comments so far,add yours