July 2019

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি মজার এবং জনপ্রিয় একটি Animation মুভি নিয়ে যার পুরো গল্প জুড়ে থাকবে পরীদের গল্প এবং নাম Tinker Bell তো চলুন শুরু করা যাক রিভিউ।


আপনারা যারা Disnep এর মুভি গুলো দেখে থাকেন তারা অবশ্যই তাদের মুভির মান সম্পর্কে অবগত আছেন তাই সাহস করে শেয়ার করার জন্য লিখতে বসলাম আগে মুভি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাকঃ

Tinker Bell:


Tinker Bell মুভিটি পরিচালনায় ছিলেন Bradley Raymond. মুভিটির গল্প লিখেছেন Jeffrey M. Howard.Tinker Bell প্রকাশ করা হয় 18 September 2008 সালে সম্পূর্ণ English ভাষায় তবে আমি Hindi ভাষায় ডাবিং টি শেয়ার করবো।Tinker Bell মুভিটি নির্মানের জন্য বাজেট খরচ হয়েছে 50 Million US Dollar এবং Box Office হিট হয়  $9,199,510 Million Dollar.তাহলে বুঝতেই পারছেন মুভিটি সেই মানের হবে।


এবার চলুন Tinker Bell কাহিনী সংক্ষিপ্ত ভাবে জেনে নেওয়া যাকঃ



যখন কোন বাচ্চা হেসে ঊঠে তার সেই হাসি থেকে জন্ম নেয় একটি করে পরী। তেমনি আমাদের গল্পের পরীর জন্ম হবে এবং সে বাতাসে ভাসতে ভাসতে গিয়ে Pixie Hollow তে গিয়ে পড়বে এবং Pixie Hollow তে আরো অনেক পরীরা বাস করে যাদের ভিতর সবাই আলাদা আলাদা কাজ এবং ভিন্ন ধরনের ম্যাজিকের অধিকারী।

Queen Clarion সেই নতুন পরীর ম্যাজিকাল পাওয়ার জানার জন্য সব ধরনের ম্যাজিকাল আইটেম সামনে রেখে নতুন পরীকে বলবে ম্যাজিকাল আইটেম গুলোকে স্পর্শ করা জন্য। কিন্তু স্পর্শ করতেই সেগুলো চুপসে যেতে থাকে এবং এতে ভড়কে যায়।

 নতুন পরী অবশেষে একটি ম্যাজিকাল হাতুড়ী নতুন পরীর দিকে নিজে নিজেই আগাতে থাকে এবং যখন নতুন পরী তা স্পর্শ করে তখন তা লাইটিং করে ঊঠে। আর তা দেখে রানী নতুন পরীর নাম রাখেন Tinker Bell.



Clank এবং Bobble Tinker Bell কে Tinker পরীদের গ্রুপে স্বাগতম জানাতে আসে এবং তাকে আশ পাশ দেখাতে থাকে এবং পরীদের আলাদা আলাদা কাজ সম্পর্কে জানাতে থাকে , যেমন Garden Fairy , Winter Fairy , Pixie Dust Fairy , Water Fairy , Animal Fairy , Wind Fairy. সবশেষে Tinker Bell কে তার ঘর দেখিয়ে দিয়ে Clank এবং Bobble প্রস্থান করে।


Tinker Bell অন্য সকল Fairy দের সাথে বন্ধুত্ব করার জন্য পরিচিত হতে থাকে আর অন্য দিকে Fairy Mary এর ওয়ার্কশপে Tinker Fairy দের কাজ করতে থাকে। 

সবাই ব্যস্ত তাদের কাজ নিয়ে কারন পরীদের কাজ প্রকৃতি রক্ষা করা কাহিনীতে। সবাই MainLand যাবে এর প্রস্তুতি
তাই সে রানীকে তার ট্যালেন্ট দেখানোর জন্য গ্যাজেট বানায় কিন্তু সেই গ্যাজেটে আহত হয় একটি কাঠ বিড়াল।

 রানী Tinker Bell কে জানালো Tinker পরীদের MainLand যেতে দেওয়া হয়না। তাই সে চিন্তা করলো সে তার Magical Talent বদলে ফেলবে অন্য পরী যারা MainLand যেতে পারে তাদের ম্যাজিক গুলো শিখবে এবং যেই ভাবা সেই কাজ তাই সে তার Fairy বন্ধুদের বললো তাকে তাদের ম্যাজিক গুলো শিখিয়ে দেওয়ার জন্য।

প্রথমে Water Fairy এর কাজ শিখতে যায় ব্যর্থ হয় এবং তারপর সে Light Fairy দের কাজ শিখতে যায় কিন্তু কিছুতেই সে Light ধরতে পারছিলোনা আর অন্যদিকে জোনাকিরা তার দিকে চেয়ে বসে আছে কখন পরীটি তাদের  আলো জালিয়ে দিবে কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ হয় এবং পরিস্থিতির বারোটা বাজিয়ে ছাড়ে। 

তারপর সে Animal Fairy দের কাজ শিখার চেষ্টা করে এবং Tinker Bell কে বলা হয় বাচ্চা পাখিটিকে উড়া শিখানোর জন্য কিন্তু Tinker Bell কে দেখে বাচ্চা পাখি ভয় পায় এবং সে যে ডিমের খোলস ভেংগে বের হয়েছে তা আবার জোড়া লাগাতে থাকে যাতে পরীটি তাকে ঊড়া শিখাতে গিয়ে মেরে ফেলতে না পারে যাই হোক Tinker bell এবং পাখির বাচ্চার টানাটানি মারামারি দেখে অনেকে হেসে কুটি কুটি।



সবশেষে Tinker Bell যায় অহংকারী Wind Fairy এর কাছে এবং অনুরোধ করে তাকে আর অন্যদিকে অহংকারী Wind Fairy টি Tinker Bell কে বিপদে ফেলার জন্য ভয়ংকর Grass ধরার কুবুদ্ধি দেয় এবং বলে এই কাজ করতে পারলে তাকে সে Garden Fairy এর কাজ শিখাবে। Mainland যাওয়ার লোভে Tinker Bell বিপদজনক সেই Grass ধরার চেষ্টা করে যার ফল হিসাবে Mainland যাওয়ার যে প্রস্তুতি পরীরা করছিলো তার সব Tinker Bell এর কারনে নষ্ট হয়ে যায় এবং রানী এবং Fairy Mary এর মতে তা সময়মত ঠিক করা একদম অসম্ভব।


এখন দেখার বিষয় হলো Tinker Fairy দের কাজ সব ঠিক করা এবং নতুন নতুন গ্যাজেট বানানো আর Tinker Bell সবার মতে একটি আশ্চর্য মানের ট্যালেন্ট কিন্তু আসলেই কি সে তাই আর Tinker Bell কি একা সব ঠিক করতে পারবে এবং তার কি Mainland যাওয়ার স্বপ্ন কি পূরন হবে তা জানতে হলে Hindi ভাষায় Dubbed করা মুভি টি ডাউনলোড করে নিতে পারেন সাইজ 244Mb মাত্র।

Tinker Bell Download:

Download Link - 244MB

যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে হাজির হবো পুরো সিরিজ নিয়ে তাই আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।

যদি সময় থাকে গরীবের ছোট্ট ব্লগ ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো।DarkMagician.Xyz
তাহলে আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স

মিস্টার হ্যাকার!!!
হ্যাকিং কি মাথায় দেয় নাকি ভাত দিয়ে মাখিয়ে খায়?

এই প্রশ্নের জবাবে আমি বলবো "হ্যাকিং আমাদের প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের সাথে অজান্তেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে"; হ্যাকিং শুধুমাত্র কম্পিউটার-কিবোর্ডের সাইবার ওয়ার্ল্ডে নয় বরং আপনার-আমার মাথার ব্রেইন তথা সাইকোলজিতে মিশে আছে।
মনে করুন আপনি আপনার মায়ের সাথে শপিং করতে বেড়িয়েছেন; আপনার একটা জামা পছন্দ হয়েছে কিন্তু চতুর দোকানদার সেটার দাম চাইছে ৫০০ টাকা। আপনার আম্মু (আইমিন আমার আন্টি) কিন্তু কথার মারপ্যাঁচে কাটিয়ে ছাটিয়ে কমিয়ে সেটা ঠিকই ২০০ টাকাতে কিনে ফেলবেন।
এখানে আপনার "মা" হলেন একজন সাইকোলজিক্যাল হ্যাকার!!
আবার আপনার আব্বু বাজার করার সময় মাছওয়ালার সাথে দামাদামি করে বাজারের সবচেয়ে বড় রুই মাছটার দাম কমিয়ে ব্যাগ ভরে হাসি মুখে বাসায় ফিরছেন....তিনিও কিন্তু একজন সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকার!!!
এই হ্যাকিং জিনিসটা মেয়ে পটানো থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার মার্কেটিং প্লান বিল্ডআপে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বলা বাহুল্য যে সাইবার হ্যাকিং এর তুলনায় সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং এর গুরুত্ব - পরিসর- মূল্যায়ন চিরন্তনভাবে অধিক তাৎপর্য্যপূর্ণ!!!
এইবার আসি সাইবার হ্যাকিং নিয়ে....
আপনি কি জানেন সারাবিশ্বে মোট কতোগুলো কম্পিউটার আছে কিংবা এখন পর্যন্ত মোট কতোটি ওয়েবসাইট আছে?
২০১৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট পারসোনাল কম্পিউটারের সংখ্যা ছিলো ২ বিলিওন; এখন যখন আমি এই লেখাটি লিখছি তখন সারাবিশ্বে মোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা হলো ১ বিলিওন যার মাঝে জীবিত ওয়েবসাইট সংখ্যা ২০০ মিলওন!!!
মূলত সাইবার হ্যাকিং বলতে অন্যের কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক তথা সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ করাকে বোঝায় তা হউক আপনার হাতের এনড্রোয়েড কিংবা আপনার শখের ওয়েবসাইট।
আফোস....আজও আমরা অধিকাংশ মানুষ হ্যাকিং বলতে অন্যের ফেসবুক আইডি এক্সেস নেওয়া বুঝি!!!
হ্যা, অন্যের ফেসবুক আইডি কিংবা যেকোনো একাউন্ট (তা হউক জিমেইল কিংবা টুইটার অথবা ইনস্টাগ্রাম) এক্সেস নেওয়াও হ্যাকিং বটে তাইবলে হ্যাকিং এর পরিসর শুধুমাত্র ফেসবুক একাউন্টের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়।
আবার ফেসবুক হ্যাকিং আর ফেসবুক একাউন্ট এক্সেস নেওয়াও কিন্তু একই ব্যাপার নয় কেননা Facebook হ্যাক বলতে ফেসবুক এর সিস্টেম যেমন ফেসবুক ডোমেইন ও হোস্টিং সার্ভারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করাকে বোঝায় আর ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং বলতে স্রেফ ফেসবুকের একটি একাউন্টে আপনার দখল বা এক্সেস করাকে বোঝায় [ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করার নিয়মগুলা বরাবরই চিরায়ত ফিশিং,কি লগিং, ডিভাইস এক্সেস, কুকিজ স্টিলিং, স্পুফিং কিংবা সার্ভারে ফেইক ইনফো পাঠিয়ে বোকা বানিয়ে একাউন্ট এক্সেস নেওয়া ইত্যাদির মাঝেই সীমাবদ্ধ যা হ্যাকিং বিদ্যার ব্যাসিক নলেজ]।
কিছুদিন আগে আমি Mr Hacker নামে একটি Hacking Course চালু করেছি এবং আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত আমরা সফল।
আমরা কেন বললাম জানেন??
কারন এই পেইড কোর্সে যতোজন স্টুডেন্ট আছেন তারা প্রত্যেকেই তাদের স্বপ্নের হ্যাকিং শিক্ষা গ্রহনে এখন পর্যন্ত সাকসেস এবং স্যাটিসফাইড।
আজ Mr Hacker নিয়ে আপনাদের কিছু প্রশ্নের জবাব দিচ্ছি.....
Mr Hacker গ্রুপে কি শেখানো হয়?
Mr Hacker আদতে শুধু একটি গ্রুপ নয় বরং একটি ভর্চুয়াল পরিবার; যেখানে পরস্পস পরস্পরকে সহযোগিতা মাধ্যমে সাইবার এবং সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং শেখানো হয় [এখন পর্যন্ত সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং এর ক্লাস নেওয়া হয়নি, কেননা সাইবার হ্যাকিং শেখানোর পরই সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং এর টিউটোরিয়াল - টাস্ক এবং ক্লাস নেওয়া হবে।
আদতে সাইবার হ্যাকিং এর কি কি শেখানো হয় এই প্রশ্নের জবাবে আমি বলবো "নিয়োফাইট অর্থাৎ শূন্য হতে আপনার ব্রেইনে হ্যাকিং বিদ্যা সফলভাবে পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে লীট পর্যন্ত গড়ে নেওয়া হয়"।
হয়তো আপনাকে যদি বলি IP Address সম্পর্কে গ্রুপে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে তাহলে আপনি নাক সিটকোবেন, অথচ পরিপূর্ণভাবে আইপি এড্রেস এনালাইসিস না করতে জানলে আপনার পক্ষে কখনোই মেটাস্পলয়েটে ট্রোজান এপ্লিকেশন তৈরী করা সম্ভব হবে না (আফসোস যারা নাক সিটকোন তারা কতোজন স্ট্যাটিক এবং রিয়েল আইপি এর মাঝের তফাত বুঝেন কিনা তাতে সন্দিগ্ধতা আছে)। Mr Hacker গ্রুপের যাবতীয় কনটেন্ট সিক্রেট রাখার স্বার্থে অনেক টিউটোরিয়াল হাইলাইটস উহ্য রাখা হলেও সংক্ষেপে আপনার হাতের মোবাইল দিয়ে অন্যের মোবাইল এক্সেস বা কনট্রোল নেওয়া, ডিস্ট্রয় করা, ডাটা এনক্রিপশন করা, র‍্যানসমওয়্যার, যাবতীয় সোস্যাল নেটওয়ার্ক এক্সেস নেওয়া, ইমেইল ট্রাকিং, ইমেইল হ্যাকিং, স্পুফিং, লোকেশন ট্রেস, এভরি টাইপিং ডাটা গ্রাবিং,কন্টাক্ট নাম্বার হ্যাকিং, ওয়েবসাইট হ্যাকিং, বাগ বাউন্টিং ইত্যাদি শেখানো হয় [এখন পর্যন্ত সাইবার হ্যাকিং এর ৩৫+ ক্লাস নেওয়া হয়েছে] যেহেতু সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং ক্লাস এখনো নেওয়া শুরু হয়নি তথাপি এতোটুকুই বলবো "অন্যের মন জয় করা হতে হিপ্নোসিস আর প্যারানরমাল সায়েন্স হতে প্যারাসাইকোলজি পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এই মাইন্ড হ্যাকিং ক্লাসগুলো"।
কোর্স ফি ৫০০০ টাকা কেন?
হয়তো আপনার মনে হতে পারে শুধু শিক্ষা দিতে কেন ৫০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে? আদতে হ্যাকিং শেখা এবং প্র্যাকটিস করার জন্য প্রয়োজন আছে ডোমেইন ও হোস্টিং এছাড়াও এই কোর্সের সকল সফটওয়ার, টুলস সবকিছুই ইউনিক তাই এগুলা তৈরী করতেও অর্থের প্রয়োজন আছে।
তথাপি গ্রুপের সিংহভাগ মেম্বার্স স্কিমে ক্লাস করছেন যাদের কখনোই টাকার জন্য নূন্যতম প্রেসার দেওয়া হয়না বরং সবাইকে সমানভাবে ক্লাসের প্রতি কনসানট্রেট করানোর চেষ্টা করা হয়।
আমি গর্ব করে এতোটুকু বলতে পারি গ্রুপের ১৬ জন স্টুডেন্ট এখন পর্যন্ত সফল এবং স্যাটিসফাইড!!!
Mr Hacker গ্রুপ হতে আর্নিং করা কি সম্ভব?
আদতে হ্যাকিং কোন প্রফোশন নয় বরং একটি শখ বা প্যাশান (অন্তত বাংলাদেশের স্বাপেক্ষ) তথাপি বাগ বাউন্টিং হতে একজন লীট হ্যাকারর অবশ্যই বিপুল পরিমান অর্থ লিগ্যাল ওয়্যেতে উপার্জন করতে পারেন।
আর সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং অন্যের মন জয় করে আপনার স্বার্থ সিদ্ধি করা হতে শুরু করে আপনার নিজের ব্যক্তিগত লাইফে সফলতা আনতে সক্ষম।
মোটকথা Mr Hacker গ্রুপ আপনার লাইফ এবং ক্যারিয়ার গড়তে ইনশাল্লাহ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সবিশেষ Mr Hacker গ্রুপ (পরিবার) সম্পর্কে শুধু এতোটুকুই বলবো যে, আপনি হ্যাকিং শিক্ষায় ততো পর্যন্ত সাপোর্ট দেওয়া হবে যতোক্ষন না আপনি শিখতে পারছেন এবং সফল হতে পারছেন।
আপনারা কেউ যদি Mr Hacker গ্রুপে যুক্ত হতে চান (আর্থিক সমস্যা থাকলে স্কিমে যুক্ত হতে পারেন) তবে ইনবক্সে জানাতে পারেন।
আমি চাই যেন সফলতার শেষ দিনে সবাই যেন হাসিমুখে আপনাদের বলতে পারে You are Mr Hacker!!!

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি 47.99$ Dollar মূল্যের Photoshop এর সেরা Alternative Software যার নাম Corel Paint Shop Pro তবে চলুন শুরু করা যাক রিভিউ।


Photoshop সম্পর্কে অবগত নয় এমন মানুষ খুজে পাওয়া মুশকিল কারন Photoshop এর জনপ্রিয়তা সবার শীর্ষে । তবে কোন দিন কি মনে প্রশ্ন এসেছে Photoshop এর Alternative কিছু চালানোর যা দিয়ে Photoshop এর মত সব কিছুই করা যাবে।

আপনি জানেন কি ?
Linux ব্যবহারকারীরাও অনেকে আছেন যারা Windows চালায় শুধু Adobe এর Product গুলো চালানোর জন্য।
(যদিও তাদের জন্য আলাদা কিছু রয়েছে আর Wine দিয়ে চালাতে চাইলেও সমস্যা ১০০% করবে)

তবে আমি আপনাদের সাথে তর্কে যাবোনা যে Photoshop নিয়ে কারন যারা Photoshop প্রেমী তাদের যত দামী সফটওয়যার দেন না কেন ঐটাই লাগবে।

তাই পাগল ভক্তের মত কোন কথা বলার আগে একবার নিজেই পরখ করে দেখো আশা করি মন্তব্য পালটে যাবে।


Corel Paint Shop Pro Review:


প্রথমেই বলে নেই সফটওয়্যারটির দাম মূলত ৭৯.৯৯ ডলার তবে এখন ডিসকাউন্ট চলছে তাই ৪৭.৯৯ ডলার। অন্যদিকে Corel Paint Shop এর দুইটি ভার্সন রয়েছে একটি Ultimate এবং অন্যটি  Pro. তবে আমি আজ Pro ভার্সন টি শেয়ার করবো আর হ্যা আপনি Pro Version ছাড়াও এক মাস Trial দিতে পারবেন।



Corel Paint Shop ছাড়াও তাদের আরো কিছু Product রয়েছে তবে সেদিকে না যাই, আজ শুধু Corel Paint Shop Pro নিয়ে কথা বলবো।

    
আপনি চাইলে খুব সহজেই আপনার ছবি দিয়ে Animation বানাতে পারবেন তাছাড়াও Photoshop এর Brush আপনি ব্যবহার করতে পারবেন Plugins হিসাবে।


আপনি প্রফেশনাল Editing কাজ করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন এতে থাকবে Powerfull সব Tools এবং ভালো মানের ফিচার যা কেবল মাত্র Paint Shop Pro দিয়ে সম্ভব।
 মোটামুটি অনেক ভালো জিনিস এর আপডেট এসেছে এই নতুন সংস্করনে যারা আগে ব্যবহার করেছেন তারা অবশ্যই জেনে থাকবেন।
প্রথমত Pro User দের মত Photo Edit করতে পারবেন তাছাড়াও ক্রিয়েটিভ Design কিংবা Project বানাতে পারবেন। Auto Tune করার মত সুবিধাও পাবেন চিন্তা করার কিছুই নেই। চাইলে সংযুক্ত করতে পারবেন Photoshop এর মত Effect ছবিতে জান ঢেলে দিতে। 
আর বেদরকারী জিনিস পরিস্কার করে ফেলতে পারবেন খুব সহজেই।


শুধু আমি বলছিনা Corel Paint Shop Pro হচ্ছে Photoshop এর Alternative উপরের চিত্রে দেখুন কোম্পানী নিজেই দাবী করছে এটা Photoshop এর Alternative এই Paint Shop Pro.
সত্যি কথা বলতে এর সব গুলো ফিচার লিখতে গেলে পোষ্ট অনেক বড় হয়ে যাবে তাই নিচের স্ক্রিনশর্ট দেখুন তাহলে চোখের Verify হয়ে যাবে।

Corel Paint Shop Pro Screen Short:






Corel Paint Shop Pro Download Link:
আপনাদের জন্য গুগল ড্রাইভের লিংক দিচ্ছি তবে ডাউনলোড লিমিট যাতে সমস্যা না করে তাই শর্ট লিংক সহকারে শেয়ার করছি।


Corel Paint Shop Pro 2019(1.3GB)
Download Link

যেভাবে Full Version কিংবা Pro Version চালাবেন তা বুঝতে না পারলে ভিডিও টি দেখুন।


আশা করি আপনাদের পছন্দ হবে তবে যারা না চালিয়েই দাবী করেন যে ফটোশপ বেস্ট তারা চাইলে নিচের লিংক থেকে Highly Compressed ফটোশপ ডাউনলোড করে নিতে পারেন CS6.

Photoshop CS6 Highly Compressed 70 MB Download With Full Version License Key


এছাড়াও চাইলে আপনি Alternative হিসাবে ব্যবহার করে দেখতে পারেন

Photoshop এর Alternative কিছু খুজছেন তবে দেখে নিতে পারেন GIMP


আর আপনি যদি Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে দেখে নিতে পারেন নিচের লিংক

Android মোবাইল থেকে Photo Editing করতে যে পাঁচটি Apps থাকা প্রয়োজন


আর যদি চান ঘুরে আসতে পারেন গরীবের ছোট্ট ব্লগ সাইট থেকে
DarkMagician.Xyz


আজকের পোষ্ট এখানেই শেষ করছি যদি ভালো লেগে থাকে তবে কমেন্ট করে জানতে ভুলবেন না কিন্তু।
আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স

🤖#জোনাকির আলোর রহস্য#👾


রাঁতের আঁধারে মিটিমিটি করে জ্বলা জোনাকি পোকা কার না ভালো লাগে? কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন বিদ্যুৎ ছাড়া এই আলো কিভাবে জ্বলে?  আসলে জোনাকি পোকার এই আলো জ্বলার ব্যপারটি একটি কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন ছাড়া কিছু না, যা তাদের দেহের অভ্যন্তরে ঘটে।

জোনাকি পোকা তার দেহে এক ধরনের কেমিক্যাল বহন করে যার নাম লুসিফেরিন (Luciferin) । এই লুসিফেরিন এর সাথে অক্সিজেন এর রিঅ্যাকশন হওয়ার ফলেই আলো জ্বলে উঠে। আর দেহের মাঝে এভাবে আলো উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় বায়োলুমিনেন্স। 

আর কি পরিমান আলো জোনাকি উৎপন্ন করবে তা নির্ভর করে কি পরিমান অক্সিজেন জোনাকি সরবরাহ করবে তার উপর । জোনাকি কম অক্সিজেন সাপ্লাই দিলে কম আলো উৎপন্ন হবে আর বেশী অক্সিজেন সাপ্লাই দিলে বেশী আলো উৎপন্ন হবে।

তবে জোনাকি পোকার আলোতে কোন তাপ উৎপন্ন হয়না। আসলে আমাদের বাতিতে আলোক শক্তি কনভার্ট হয় তড়িত শক্তি থেকে। কিন্তু পুরো তড়িত শক্তির অল্প পরিমানই আলোক শক্তিতে কনভার্ট হয়। বাকীটা তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 

কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন, জোনাকি পোকার আলোকশক্তি উৎপন্ন হয় রাসায়নিক শক্তি থেকে আর প্রায় পুরো রাসায়নিক শক্তিই আলোক শক্তি তৈরি করে। তাই এক্ষেত্রে তাপ উৎপন্ন হয় না। তাই জোনাকির আলো কে বলা হয় “ঠান্ডা আলো”। এই আলোর খেলা জোনাকির প্রজননে সাহায্য করে । কিছু প্রজাতির পুরুষ জোনাকি রাতের বেলা তার নিজস্ব স্টাইলে আলো জ্বেলে নারী জোনাকিদের প্রলুব্ধ করে থাকে।

ক্রেডিটঃ Mydul Islam Shawon
আমি রিফাত আবার আপনাদের কাছে নিয়ে এলাম একটি দারুন জিনিস নিয়ে।
তা হলো Rubik's Cube এর সমাধান।
আমরা সবাইই জানি Rubik's Cube সমাধান করা আমরা যারা না জানি তাদের কাছে খুবই কষ্টের ব্যাপার। যা আসলেই সত্য।হ্যা আমাদের মতো মানুষের জন্য আমি একটি অ্যাপ পেলাম।যা আমাদের খুব উপকার করবে।আসলেই আমি তা ব্যবহার করেছি এবং সঠিক সমাধান পেয়েছি।তাই আমি আপবাদের কাছে অ্যাপটি সেয়ার করলাম।তাহলে চলুন আসল টিউনে চলে আসি।

প্রথমে Play Store এ যেয়ে CubeX লিখে Search করুন এবং প্রথমের অ্যাপটি ইন্সটল করে নিন।

এরপর দেখতে পাবেন অ্যাপ এ manual এবং ক্যামেরার আপশন আছে।যা দিয়ে আপনি আপনার কিউবের কালার এর পজিশন খুব ভালোভাবে লাগাতে পারবেন।

তারপর Solve বাটনে ক্লিক করলে অ্যাপটি দেখিয়ে দিবে সবচেয়ে কম কত মুভে আপনি কিউবটি সমাধান করতে পারবেন।

এবং সবশেষে ৩ডি এর মাধ্যমে আপনাকে কিউব সমাধান করার সিস্টেম দেখিয়ে দিবে।যা আপনি খুব সহজেই করে সমাধান করে নিতে পারবেন।
আজকের টিউন এখানেই শেষ।

কিন্তু আপনাদের জন্য আমি নতুন একটি ইনকামের ট্রিক নিয়ে এসেছি।আমরা সবাইই জানি৷ Wap4Dollar একটি এমন এড নেটওয়ার্ক যা ১০০% ট্রাস্টেড এবং পেমেন্ট করে আসছে এবং তাদের ইউজারকেও করছে।
আমি একটি স্ক্রিপ্ট লিখেছি যা আপনার সাইটে ইনপুট করলে ভিজিটর সাইটে আসলে ১০০% শিউর আউটো ক্লিক পরবে।যার প্রুভ আমি দিলাম।তাই যাদের ট্রিকটি দরকার আমাকে ফেইসবুকে Wap4Dollar income লিখে ইনবক্স এ নল দিয়েন।আশা করি ১০০% সাড়া পাবেন।
ধন্যবাদ।



হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি খুব দরকারী এবং কাজের একটি টিপস আপনি যদি কম্পিউটার ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আপনার কাজে আসতে পারে তাই পুরো পোষ্ট টি মনযোগ সহকারে দেখার অনুরোধ রইলো তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

ধরুন আপনার এক বন্ধু আপনাকে বলে বসলো দোস্ত আমার কম্পিউটার টা চালু হচ্ছেনা উইন্ডোজ দিয়ে দিবি, আর আপনিও যেহেতু এ ব্যাপারে পারদর্শী সেই মোতাবেক বন্ধুর উপকারের কথা ভেবে রাজী হয়ে গেলেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো তখন যখন কিনা পিসি চালু করে জানতে পারলেন আপনার বন্ধুর DVD RW নষ্ট।
এখন আপনার কাছে দুটি উপায় আছে হয় Bootable ISO ব্যবহার করে Bootable Pen Drive তৈরী করে উইন্ডোজ ইন্সটল করে দেওয়া যার জন্য প্রয়োজন পড়বে Windows Iso আর তা যদি না থাকে তবে ডাউনলোড করে নিতে হবে যার সাইজ কমপক্ষে হলেও 3.7+ GB.

আপনি যদি Windows 7 এর ISO ডাউনলোড করতে চান তবে নিচের লিংকে ভিজিট করুনঃ

Windows 7 সম্পর্কে জেনে নিন আর সাথে বোনাস হিসাবে নিয়ে নিন Top 5 Windows 7 Stylish Edition


আর ২য় উপায় হলো আপনি অন্য পিসি্তে আপনার বন্ধুর পিসির Hard Disk টি ব্যবহার করে  Windows Install করে নিতে পারবেন এবং কাজ শেষে আপনার বন্ধুর পিসিতে Hard Disk স্থাপন করে Drive Update দিয়ে কাজটি সফল ভাবে শেষ করতে পারেন windows iso প্রয়োজন হলে উপরের লিংক অথবা Disc ব্যবহার করুন।

৩য় বোনাস উপায় আপনার কাছে যদি Windows ISO থাকে তবে Live Windows Pendrive বানিয়ে আপনার বন্ধুর পিসিটি চালু করতে পারেন এবং Windows দেওয়ার জন্য আপনার সেই Live Windows Pendrive টিতে Windows Disc অথবা ISO কপি করে নিতে পারেন এবং Live Windows চালু করে সেই কপি করা ফাইল বন্ধুর Hard Disk সরি বন্ধুর পিসির Hard Disk এ Paste করে সেখান থেকে Windows টি Install করতে পারেন।

HardDisk ছাড়া কম্পিউটারে Windows চালিয়েছেন এবার আসুন HardDisk ছাড়া চালাবো Windows

৪র্থ বোনাস উপায় আপনি Live Linux Pendrive বানিয়ে দিতে পারেন আপনার বন্ধুকে তার Pen Drive এ যাতে সে তার অতীব দরকারী কাজ গুলো Windows Install করা ছাড়াই সেরে নিতে পারে।

Pen Drive Bootable করার নিয়ম সাথে ZoRin OS Install না দিয়ে লাইভ চালানোর নিয়ম


অনেক তো গল্পে গল্পে ISO কেন দরকার তা বোঝানোর চেষ্টা করলাম এবার চলুন আসল কাজ Bootable ISO বানানোর টিউটোরিয়াল নিয়ে, তাহলে চলুন শুরু করা যাক।


আপনার যা প্রয়োজন পড়বে তা নিম্নরুপঃ
1. Windows Disc ( Any)
2. Ultra Primium ISo
3. Computer

প্রথমে উইন্ডোজ এর Disc না থাকলে দয়া করে দোকান থেকে কিনে নিয়ে আসুন অথবা কোন বন্ধুর কাছে থেকে Windows Disc এর সম্পূর্ন ফাইল কপি করে নিয়ে আসুন।

এবার দরকার হবে আপনার একটি সফটওয়্যার এর প্রিমিয়াম ভার্সন না থাকলে নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন।
Download করে নিন 29.95$ ডলার মূল্যের UltraISO Premium সম্পূর্ন ফ্রিতে আপনার কম্পিউটারের জন্য

আর 3rd পয়েন্ট ছিলো Computer , এটা তো আশা করি আছেই নয়তো তো আপনি আর এমনি এমনি এই কাজ গুলো করতে পারবেন না তবে চাইলে অন্য কারো কম্পিউটার থেকেও করে নিতে পারেন সম্পুর্ন প্রসেস যদি পিসি না থাকে।


তাহলে UltraIsoPremium ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল করে ফেলুন এবং ইন্সটল হয়ে গেলে Open করুন। পাশাপশি উইন্ডোজের Disc টি DVD Rom এ প্রবেশ করান।

প্রথমে আপনার উইন্ডোজের কপিটি নির্বাচন করুন অথবা Rom এ প্রবেশ করে সকল ফাইল Add করে নিন।


এবার File Menu থেকে Save As নির্বাচন করুন।


আর ISO Format এর জন্য যে কোন নাম দিয়ে Save বাটনে ক্লিক করুন।

এবার কিছুক্ষন প্রসেসিং হবে ১৪-১৫ মিনিটের মত।


এবং সবশেষে পেয়ে যাবেন আপনার কাংখিত ISO.
আর ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে নিচের ভিডিও টি দেখতে পারেন

এবার Pendrive Bootable করার নিয়ম জানার জন্য নিচের লিংক ঘুরে আসতে পারেন।

Bootable Pendrive বানানোর নিয়ম দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আর যারা DVD Burn করতে চান তারা সরাসরি Blank Disk প্রবেশ করিয়ে Burn করে নিতে পারবেন UltraIsoPremium দিয়ে।

তাহলে ভালো থাকুন আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে।

সৌজন্যে: Cyber Prince

হ্যালো বন্ধুরা আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ হাজির হয়েছি সবাই যা ব্যবহার করে তার থেকে Different একটি সফটওয়্যার নিয়ে যার নাম Ant Download Manager তো চলুন শুরু করা যাক রিভিউ।



Ant Download Manager Pro Review

আপনারা অনেকেই আছেন IDM ব্যবহার করেছেন বা বর্তমানে করছেন তাদের কি মনে হয়েছে IDM এর বিকল্প কিছু ব্যবহার করার কথা যদি ভেবে থাকেন তবে দেখতে থাকুন ২৪ ডলার মূল্যের এর সফটওয়্যার টির বিস্তারিত কারন এই IDM নিয়ে অনেক ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয় তাছাড়াও এই Ant Download Manger টিতে এমন কিছু ফিচার আছে যা আপনাকে পছন্দ  করতে বাধ্য করবে।


এবার আসি মূল প্রসংগের দিকে আমরা যে ব্রাউজার গুলো ব্যবহার করে থাকি যেমন ধরুন Internet Explorer 8+, Mozilla Firefox 32 +, Google Chrome 31+ and their clones (Pale Moon, Opera, Vivaldi, Slimjet, Comodo Dragon, etc.) এই সকল ব্রাউজারে বিল্ড ডাউনলোডার  হিসাবে কাজ করবে যার ফলে আপনি যে কোন সাইটের থেকে ভিডিও খুব সহজেই ডাউনলোড করতে পারবেন যা আপনি IDM এ থাকলেও সঠিক ভাবে কাজ করেনা আর Ant Download Manager তো এখানে IDM এর থেকে 
অনেক এগিয়ে।

আপনি Youtube , Facebook এর মত সাইট গুলো থেকে সহজেই ভিডিও ডাউনলোড করতে পারবেন তাও আবার বিভিন্ন সাইজে কিংবা ভিডিও থেকে সরাসরি Mp3 ফরম্যাট এ তা যেই সাইট হোক না কেন।


এছাড়াও + বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড Url কপি পেষ্ট করে ডাউনলোড করা তো থাকছেই তাছাড়াও
থাকবে স্পিড বুস্ট করার জন্য রকেট , গাড়ি কিংবা শামুক এর ফিচার বুঝলেন না তো ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন।

আপনি যাই ডাউনলোড দেন না কেন ম্যাসেজ আসবে শুধু কনফার্ম করে দিলেই ল্যাটা চুকে যাবে।

আমি একটি ভিডিও ডাউনলোড করার সময় স্ক্রিনশর্ট টা নেওয়া আপনি Speed এ গিয়ে স্পিড নির্ধারন করতে পারবেন যদি চান।



এই তো গেলো IDM এর সাথে অল্প একটু তুলনা করা এবার আসুন জেনে নেই আরো বিস্তারিত।





 উপরে উল্লেখ করেছি ব্রাউজার বিল্ড এবং ভিডিও থেকে Mp3 ডাউনলোড করার বিষয় যা উপরের ছবিতে প্রদর্শন করছে স্ক্রিনশর্ট গুলো অফিশিয়াল সাইট থেকে নেওয়া চলুন এগুলো থেকে এর ফিচার সম্পর্কে আরো অবগত হই।

 আপনি ভিডিও কে বিভিন্ন সাইজে ডাউনলোড করার পাশাপাশি ক্যাটাগরি অনুসারে ডাউনলোড করতে পারবেন Vimeo , DailyMotion এর মত সাইট থেকে সহজেই ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
 আগেই বলছি রকেট গতির কথা পাশাপাশি যে কোন প্রোগ্রাম ডাউনলোড এবং ইন্সটল করার কাজটাও দিতে পারেন Ant Download Manager কে। আর History থেকে পুরানো কার্যক্রম দেখে নিতে পারবেন আর Ant Download Manager এর আপডেট ভার্সন আসলে তা সহজেই আপডেট করে ফেলতে পারবেন এক ক্লিকে।
 Drag & Drop এর মাধ্যমে আপনি ডাউনলোড যুক্ত করতে পারবেন আর কম বেশী অনেক প্রটোকল সাপোর্টেড যেমন Http, Https , FTP , F4M , M3U8 , Mpeg , Vimeo Stream আরো পাবেন প্রক্সি সুবিধা যা দিয়ে আপনি চাইলে ফ্রি নেট এ ডাউনলোড করতে পারবেন। আপনি চাইলে Ant Download Manager দিয়ে Picture কিংবা ভিডিও চালু করতে পারবেন। আর হ্যা সিকিউরিটি যদি চান তবে তো Ant Download Manager এর জোস একটা ফিচার হলো পাসওয়ার্ড ফাইল সিস্টেম।
Resume সাপোর্ট , Schedule Download ব্যবহার করতে পারবেন একই সাথে অনেক গুলো ফাইল ডাউনলোড করা যাবে।
এবার আসুন তাদের অফিশিয়াল আরো কিছু ফিচারের কথা বলা হয়েছে যা নিচে চিত্র আকারে দিচ্ছি দেখে নিবেন।

আজ একই কথা রিপ্লাই করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি তাই আর বকবক না করে ডাউনলোড ফাইলের লিংক দিচ্ছি ভালো লাগলে ডাউনলোড করে নিবেন।


Ant Download Manager Pro Download Link


সাইজ মাত্র 35MB


তাহলে আপনারা পিপড়াকে চিনি খাওয়ান (ডাউনলোড করা বুঝানো হয়েছে) 
আর আমি আজকের মত বিদায় দেখা হবে অন্য কোন দিন নতুন কিছু নিয়ে । 
সৌজন্যেঃ সাইবার প্রিন্স